১৭০ বছর পর রাজার প্রত্যাবর্তন

গ্রেট কারুতে একসময় সিংহ দাপিয়ে বেড়াত। আর ছিল চিতা। এরপর মানুষ গিয়েই বিপত্তিটা বাধাল। নিজেদের মতো সীমানা দেগে একের পর এক খামার গড়ে তোলে দক্ষিণ আফ্রিকার বিস্তীর্ণ মালভূমিতে। যা হবার তা-ই হলো। ১৮৪০-এর দশক নাগাদ বিদায় নেয় সিংহ। পরের তিন দশকে চিতাও গেল। বাঘ-সিংহ বিদায় নেয়ার পর গ্রেট কারু ও আশপাশের অঞ্চলে অনেকগুলো গবাদি পশুর […]পড়ুন

অ্যাপল ছাড়াও স্টিভ জবসের সফল দুটি প্রতিষ্ঠান

অ্যাপল প্রতিষ্ঠার জন্যই স্টিভ জবসের যত খ্যাতি। সে তো হওয়াই উচিত। বিশ্বের সবচেয়ে বড় প্রতিষ্ঠানগুলোর একটি বানিয়েছেন। আর ব্র্যান্ড মূল্যের বেলায় এক নম্বর। আর তাতে যাওয়ার তা-ই হয়েছে। এই মহিরুহের ছায়ার আড়ালে পড়ে গেছে তাঁর অন্যান্য সফল উদ্যোগগুলো। জীবনের উল্লেখযোগ্য সময় কাটিয়েছেন আরও সফল দুটি প্রতিষ্ঠান গড়তে। এর একটি নেক্সট, অন্যটি পিক্সার। প্রথমটি কম্পিউটার বানাত, […]পড়ুন

আইফোনের চার্জিং কেবল দ্রুত ভেঙে যায় কেন

মনে করুন, বাঁ পাশের কিডনি বেচে আপনি নতুন একটি আইফোন কিনেছেন। ক্যামেরা এতই ভালো যে ছবিতে নিজেকে চেনা যায় না। প্রসেসর-র‍্যামের দুর্দান্ত গতিতে কমান্ড না দিলেও কাজ হয়। সব মিলিয়ে চমৎকার স্মার্টফোন। সমস্যা একটাই। দিন কয়েক ব্যবহারের পর চার্জিং কেবল, অর্থাৎ আইফোনের চার্জ করার তারের গোড়ার দিক থেকে চট করে ভেঙে যায় (ওপরের ছবিতে দেখুন)। […]পড়ুন

আইফোন কেনার সঙ্গে কিডনি বেচার সম্পর্ক কী

অনেকে বলবেন এ কেমন প্রশ্ন? আইফোনের যা দাম, তাতে কিডনি বেচা ছাড়া উপায় কী? যার পকেটে আইফোন আছে, তাঁর কিডনির সংখ্যা নিয়ে প্রশ্ন তুলতেও কারও বাধে না। কিডনি নিয়ে এমন কৌতুক যুগে যুগে, কালে কালে কম হয়নি। অনাগত কালেও যে চলবে, তা-ও মোটামুটি প্রশ্নাতীত। আমরা বরং পেছনে ফিরে দেখার চেষ্টা করতে পারি, জানার চেষ্টা করতে […]পড়ুন

গ্রহাণু ধেয়ে এলে কী করবে নাসা

মনে করুন, মহাকাশ থেকে ধেয়ে এল বিশাল কোনো গ্রহাণু। মাস ছয়েক পর আঘাত হানবে পৃথিবীতে। সংঘর্ষ এড়ানোর উপায় বের করতে বলা হলো বিজ্ঞানীদের। তবে তাঁরা শোনালেন হতাশার বাণী। সহযোগীদের সঙ্গে নিয়ে গত মাসে এমনই এক পরীক্ষা চালিয়েছে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। উদ্দেশ্য ছিল, পৃথিবীর সঙ্গে গ্রহাণুর সম্ভাব্য সংঘর্ষ ঠেকানোর উপায় উদ্ভাবনে আমাদের সক্ষমতা বোঝা। […]পড়ুন

গুহাবন্দি পনিরে টিকে থাকার লড়াই

ইতালির সেরা পনিরগুলোর একটি পেকোরিনো। চাহিদাও বেশ। অথচ লোরেতো পাসিত্তির পনিরগুলোর কোনো গতি হচ্ছিল না। একে তো রেস্তোরাঁ খোলা নেই, তার ওপর বাড়তি উৎপাদন ব্যয় আর গ্রাহকদের খরচ কাটছাঁটে লোরেতোর কপালের ভাঁজ বাড়ে বৈ কমে না। এই ঘটনা করোনাকালীন। লোরেতোর দশা ইতালির সব পেকোরিনো উৎপাদকের। পুরো শিল্প হুমকির মুখে। লোরেতো দেখলেন সামনে একটাই খোলা পথ। […]পড়ুন